Hot!

Other News

More news for your entertainment
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

এবার শাহরুখ মমতাকে দিলেন আড়াই কোটি ও ৫০ হাজার পিপিই কিট


পশ্চিমবঙ্গের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর তিনি। করোনা মোকাবিলায় এবার বাংলার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন বলিউড বাদশা। করোনা মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি ২০০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিলে শাহরুখ একাই দিচ্ছেন আড়াই কোটি টাকা। 
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন শাহরুখ খান। তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হয় শাহরুখের। মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি জানান, করোনা মোকাবিলায় রাজ্যে যে ২০০ কোটি টাকার ত্রাণ তহবিল তৈরি হয়েছে, তাতে তিনি আড়াই কোটি টাকা অনুদান হিসাবে দেবেন।
করোনা মোকাবিলায় এরাজ্যের জন্য আড়াই কোটি টাকা দেওয়ার পাশাপাশি এরাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ৫০ হাজার পিপিই কিট দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন কিং খান। এদিকে করোনা মোকাবিলায় এরাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য শাহরুখকে টুইট করে ধন্যবাদও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

মহামারী সম্পর্কে কোরআন মাজিদ কী বলে

পবিত্র কোরআনের দুটি সূরায় মহামারীর কথা এসেছে। প্রথমটি সূরা বাকারায়। ২৪৩ নং আয়াতে। হজরত হিযকিল আ.-এর ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে।বানু ইসরাইলের একটি দলের মাঝে মহামারী দেখা দিয়েছিল। আল্লাহর নির্দেশ ছিল মৃত্যু ভয়ে পলায়ন না করার। কিন্তু তারা পালিয়ে নিজেদের দেশ ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল।
দুই পাহাড়ের মাঝে একটি উপত্যকায় তারা সমবেতভাবে পালিয়ে এসেছিল। আল্লাহ তাদের সবাইকে একসঙ্গে মৃত্যু দেন।
কোরআনের ভাষায়, তুমি কি জান না সে সব লোকের কথা, যারা মৃত্যুভয়ে হাজারে হাজারে নিজেদের আবাসভূমি পরিত্যাগ করেছিল, তারপর আল্লাহ তাদের বলেছিলেন, ‘তোমাদের মৃত্যু হোক’। তারপর আল্লাহ তাদের জীবিত করেছিলেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু অধিকাংশ লোক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না।
আরবি আয়াতে আছে, ওয়াহুম উলুফুন, তারা ছিল হাজার হাজার। ঐতিহাসিক বর্ণনায় ৬ লাখ থেকে ৭০ হাজার পর্যন্ত বিভিন্ন মত রয়েছে।
বহু দিন পর হজরত হিযকিল একবার এ পথে যাচ্ছিলেন। সেখানে এত মানুষের কংকাল দেখে আল্লাহর কাছে জানতে চাইলেন এদের অবস্থা।
হজরত হিযকিলের মাধ্যমে আল্লাহ এদের আবার জীবিত করেন। এরা তাদের ঘরে ফিরে গিয়ে দেখে তাদের সন্তান সন্ততি বড় হয়ে গিয়েছে। তাদেরকে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা দেয় তাদের বংশধররা। পরিচয় জানার পর তারা তাদের বরণ করে নেয়।
এ আয়াতে মূলত এ শিক্ষা রয়েছে, বিপদের সময় কেবল নিজেকে বাঁচাতে চাইলে আল্লাহ আরও বড় বিপদে আক্রান্ত করতে পারেন। বিপদ যত বড়ই হোক না কেন সবার কথা ভাবতে হবে আমাদের। মানুষকে মানবিক হওয়ার শিক্ষা দেয় এ ঘটনা। অন্যদের বিপদে ফেলে কেবল নিজের স্বার্থসিদ্ধির চিন্তার মতো মন্দ কিছু নেই আল্লাহর কাছে।
সূরা আরাফে আছে, মিসরের কিবতিদের আল্লাহ মহামারী দিয়েছিলেন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, অতঃপর আমি তাদের প্লাবণ, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ ও রক্ত দ্বারা ক্লিষ্ট করি। এগুলো স্পষ্ট নিদর্শন; কিন্তু তারা দাম্ভিকই রয়ে গেল, আর তারা ছিল এক অপরাধী সম্প্রদায়। (সূরা আরাফ, আয়াত: ১৩৩)
বানু ইসরাইলের উপর দীর্ঘদিনের জুলুমের কারণে আল্লাহ তাদের এ শাস্তি দিয়েছিলেন। একদিনে সত্বর হাজার কিবতি মৃত্যুবরণ করেছিল মহামারীতে। (তাফসীরে তাবারি)
ফেরাউন বলেছিল, হে মুসা, এ শাস্তি সরিয়ে নাও, তাহলে বানু ইসরাইলকে মুক্ত করে দিব। হজরত মুসা দোআ করলেন। মুসার দোআর পর মহামারী কেটে গিয়েছিল। কিন্তু ফেরাউন তার ওয়াদা রক্ষা করেনি। তারপর সাগরে ডুবে মরেছিল ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়। সে ইতিহাস সবারই জানা।
সূরা আরাফের অন্য আয়াতে বালআম ইবনে বাউরের ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে। বালআম ইবনে বাউর হজরত মুসার বিরুদ্ধে বদ দোআ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তার জবান থেকে নিজের সম্প্রদায়ের জন্যই বদ দোআ বের হয়।
তখন সে তার জাতির লোকদের পরামর্শ দেয় যেন সুন্দরী নারীদের বানু ইসরাইলের বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পাঠানো হয়। সুন্দরী রূপসী মেয়েরা বানু ইসরাইলিদের কাছে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে যায়। বানু ইসরাইল এই নারীদের সঙ্গে ব্যাভিচারে লিপ্ত হলে আল্লাহর গজব হিসেবে মহামারী আসে।
তাতে সত্বর হাজার ইহুদি মারা যায়। (সূরা আরাফ ১৭৬ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় তাফসীরে তাবারি ও ইবন কাসীর দ্রষ্টব্য)
মুওয়াত্তা মালেক ও ইবন মাজাহ শরিফে হজরত ইবন উমর ও ইবন আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা.ইরশাদ করেন, যখন কোনো সম্প্রদায়ের মাঝে ব্যাভিচার ও অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারী দেখা দেয়।
করোনাভাইরাস সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে। মহামারীর আকার ধারণ করেছে এ ভাইরাস। এর বাহ্যিক কারণ হয়ত আছে কিন্তু একজন ধার্মিক মুসলিম সব সময় কোরআন-হাদীসের নির্দেশনার প্রতিও দৃষ্টি রাখে সচেতনভাবে।
সে হিসেবে আমাদের অবশ্যই কোরআন-হাদিসে যে কারণগুলোর কথা বলা হয়েছে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ সব অপরাধ থেকে আমাদের বাঁচতে হবে। তাওবা করতে হবে জুলুম, ফুহশ বা অশ্লীলতা এবং সব ধরনের পাপাচার থেকে।
মূলত এ সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বের মানুষের সামনে আমরা পারি ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরতে। মহামারীর সময়টিকে আমরা সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে পারি।
অন্য ধর্মাবলম্বি মানুষের প্রতি ঘৃণা না ছড়িয়ে আক্রান্ত মানুষের সেবা ও ভালোবাসার মাধ্যমে তাদের আকৃষ্ট করতে পারি ইসলাম ধর্মে।
রাজনৈতিক ইসলাম নয়; মানবিক ইসলামের প্রতি আমরা সুন্দরভাবে আহ্বান জানাতে পারি বিশ্বের সব ধর্ম ও জাতিকে।
তা না করে আমরা আমাদের দেশেরই প্রবাসীদের বাড়ি-ঘরে আক্রমণ করছি। করোনা আক্রান্ত রুগিদের চিকিৎসাকেন্দ্র খুলতে দিচ্ছি না কোথাও।
করোনায় মৃত্যুবরণ করা মানুষদের লাশ দাফন করতেও বাধা দিচ্ছি গোরস্থানে। এ সব সারা বিশ্বের মানুষের কাছে কী বার্তা দিবে বলে মনে করেন? এ সব ঘটনা আমাদের প্রিয় ইসলাম ধর্মকে যেভাবে খাটো করবে বিশ্ববাসীর সামনে, ছোট করবে বাংলাদেশকেও।
বাঙালি মুসলিম বলে আমরা যারা গৌরব করি আমাদের আরেকটু মানব দরদি হতে হবে। ইসলামের মূল শিক্ষার কাছাকাছি যেতে না পারলে আমরা কখনওই নিজেদের মুসলিম বলে দাবি করতে পারি না।
মনে রাখবেন, ইসলাম সব সময় মানবিক হতে শিক্ষা দেয়। সংবেদনশীল ও সহানুভূতিসম্পন্ন হবার শিক্ষা দেয় ইসলাম।
নবীজী সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি নিজের জন্য যা পছন্দ করে অন্যের জন্যও যদি তা পছন্দ না করে তাহলে সে কখনও মুমিন হতে পারবে না। (সহি বুখারী)
আসুন, করোনার এই বিপদ মুহূর্তে আমরা অসহায় খেটে খাওয়া দিনমজুর, দুস্থ ও দরিদ্রদের সহায়তায় এগিয়ে আসি। পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ বাড়িয়ে দেই। নিজেদের সুরক্ষিত রেখেই অসুস্থদের সেবার চিন্তা করি।
আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদের সহমর্মিতা দেখে পুরো মানব জাতির প্রতিই সদয় দৃষ্টি দিবেন বলে আশা করা যায়। দ্রুতই উঠে যাক করোনার কষ্ট। করোনাকে আল্লাহ তার করুণায় আমাদের থেকে সরিয়ে নিন। আমিন।
লেখক: মুহাদ্দিস, জামিআ ইকরা বাংলাদেশ

জাকির নায়ক ও মিযানুর রহমান আজহারীর সলিল সমাধি

সহজে বুঝতে কিছুটা পেছন....
গোলাম আলা মুওদুদির যখন উদ্ভুত মনগড়া জ্ঞানগর্ভ বিকৃত ইসলাম বুঝাচ্ছেন এখনই তাকে বহু সংশোধনের পথ বাতলে (দেখিয়ে) দেয় তৎকালীন সমস্ত আলেম সমাজ। কিন্তু তার কোনই ভ্রুক্ষেপ করেননি বরং তিনি নিজ গতিতে চললেন। যার ফলশ্রুতিতে সমস্ত আলেম  যথা রীতি তাকে বাতেল (ভন্ড) বলে ফতোওয়া দেয়।
এবার মওদুদির আরেক মাসতুত ভাই হুসাই আহমদ বাটালবী ও নাসির উদ্দিন আলবনী যখন তার আনিত নয়া মতাদর্শ লা-মাযহাব(আহলে হাদীস) নিয়ে মাঠ সরগরম তখন ওলামাদের নজরে আসে।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে তার নানা ভ্রান্ততা দেখতে পান এবং মওদুদির মতোও সংশোধনের পথ দেখিয়ে দেয় এবারও যেই লাউ সেই কদুর দশা। তারা তাদের মনগড়া মতবাদ দেশদেশান্তর প্রসার ঘটাতে থাকে। পরবর্তীতে হক ওলামাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে তারা (লা-মাযহাবী/ আহলে হাদীস)  কিছুটা স্তমিত হয়।( দেশ ভাগের পূর্বের কথা)
মালেতে এক গদিতে মাসতুত দু ভাই- মিযান ও জাকির

এতক্ষণ দুই মাসতুত ভাই সম্পর্ক জানলাম প্রথম জানা হল জামাতের প্রতিষ্ঠাতা গোলাম আলা মওদুদি , দ্বিতীয়ত হলো লা-মাযহাব/আহলে হাদীস নেতা নাসিরউদ্দিন ও বাটালবী সমন্ধে ।

প্রথম গোলাম আলা মওদুরি অনুসারি বর্তমানে বহুল পরিচিত মুখ ড. ‍মিযানুর রহমান আল আজহারী । একের পর এক ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ধুমরো ফেৎতা প্রচার করছেন। সিক্স প্যাড / আনপ্যাক/ মেয়ে মুখমন্ডল মুক্ত পর্দা ফতোওয়া ছিল তার ভয়াবহতার সূচনা । সমাজে সমস্ত পাপাচার সূচনার দ্বারই হলো বে-পর্দা । একে শয়তানের জাল বলা হয়ে থাকে  যা দিয়ে শয়তান মানুষ শিকার করে পাপাচারে।


এবার আসা যাক দ্বিতীয় দল আহলে হাদীস বা লা মাযহাবী  তারা কিন্তু কওমী তাবলীগ চরম বিরোধী । এদেশে শত শত বৎসর ধরে এই কওমীরাই দ্বীনের ধারক বাহক । লক্ষ লক্ষ মুসজিদের খতিব ইমাম মুয়াজিন সবাই কওমির ছাত্র।
এই লা-মাযহাবীরা নিজেদের একামাত্র হক বলে সমাজে জাহিল করে অন্যদের বাতিল ভন্ড বলে দন্ড হাঙ্গাম ফাসাদ সৃষ্টি করে। এই লা-মাযহাব / আহলে হাদীসের মতাদর্শ প্রচার চালিয়ে জনাব জাকির নায়ক ।


সবশেষে,  এই বলা যায় জামাত এর মিযানুর রহমান আজহারী ও লা-মাযহাবীর জাকির নায়ক গণপূর্ব থেকেই বাতিল ভন্ড কাজ্জাব বলে পৃথিবীর সমস্ত আলেমদের কাছে স্বকীত। কোন প্রকার হিংসা প্রতিহিংসার জেরে তার বিরোধীতা  করছেনা। যদি  এক হুজুর আরেক হুজুরের বিরোধীতা করতো তাহলে হেফাজত ইসলাম  তাবলীগ জামাতের  বিরোধীত করতো অথবা ইসলামী আন্দেলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) ইসলামী ঐক্যজোটের বিরোধীতা করতো। এতই যদি হিংসাপরাণ হতো তা হলে এত এত মাদরাসা মসজিদ গড়তো না । এখানেই পরিষ্কার কোন আলেম আলেমের বিরোধীতা করে না যদি না সে ভন্ড  হয়  ।

সুলতান গজনীর ঐতিহাসিক সোমনাথ বিজয় দিবস


এম.এন. সাকির: আজ বীরদীপ্ত রাজাধিরাজ সুলতাস মাহমুদ গজনীর কর্তৃক ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দির বিজয় দিবস ।১০২৬ খ্রিষ্টাব্দে সোমনাথ মন্দির আক্রমণ করেন ।মন্দিরটি গুজরাটের চালুক্যে  অবস্থিত । তৎকালীন হিন্দুরা মনে করতেন সোমনাথ বিজয় সুলতান মাহমুদের গজনীর সাধ্যের বাইরে ।
সোমনাথ মন্দির


তাদের এই ধর্ম বিশ্বাসকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করতে চ্যালেঞ্জ স্বরূপ ১০২৬ খ্রিষ্টাব্দে অভিযান যাত্রা করেন সোমনাথের পানে ।এদিকে হিন্দু রাজবর্গ্য ও পুরুহিতদের তুফানি বাধার সত্ত্বেও  পাক কালামের ধ্বনি তুলে ভেঙ্গে ফেলেন মন্দিরের দ্বার ও মুর্তি । (এরই পরিপ্রেক্ষিতে ড. ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, ‘সোমনাথ বিজয় সুলতান মাহমুদের ললাটে নতুন বিজয়ের গৌরব সংযুক্ত করে’।) মন্দির বিজয় প্রাক-কালে দুই কোটিরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা ও প্রচুর মণিমুক্তা নিয়ে বীরবেশে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন ।
এদিকে পূর্বের ন্যায়  বর্তমানেও সুলতাস মাহমুদ গজনীর যুদ্ধ-অভিযান নিয়ে মিথ্যা ও ভ্রান্ত গপ্পো-কেচ্ছা চলমান রয়েছে ।
অন্যদিকে ঐতিহাসিক এলাফিনস্টোন বলেন,এটি কোথাও নিশ্চিত করে বলা হয়নি যে, যুদ্ধে অথবা কোনো দুরহ বলপূর্বক দখলের সময় ছাড়া তিনি কখনো কোনো হিন্দুকে হত্যা করেছেন । মন্দির ধ্বংস কিংবা পৌত্তলিকতার বিনাশ সম্পর্কে বলা যায়, মহমুদের এই কাজের পেছনে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্য ছিল না । কেননা, তিনি যে মন্দিরগুলো ধ্বংস করেন, সেগুলো ছিল ধনসম্পদের আগার । এ ছাড় অন্য কোনো মন্দির তিনি ধ্বংস করেননি ।আরেক ঐতিহাসিক ঈশ্বরী টোপা বলেন, মাহমুদ ভারতের যেসব মন্দির আক্রমণ করেন, তা ছিল অতিরিক্ত ও অবর্ণনীয় সম্পদের রক্ষণাগার, এর মধ্যে কিছু মন্দির ছিল রাজনৈতিক কার্যকলাপের কেন্দ্রস্থল । মূলত মন্দির ভাঙা হয় অভিযানের সময়, ধর্মীয় কারেণে নয়, শান্তির সময় তিনি একটি মন্দিরও ধ্বংস করেননি ।
সুতরাং এখানে পরিষ্কার বোঝা যায়, সুলতান মাহমুদের যুদ্ধ-অভিযান ছিল শুধুই পার্থিব কার্য,  মন্দির  বা পৌত্তলিকতার ধ্বংসাধন করে ইসলাম প্রচার-প্রসার ঘটানো তাঁর কোনো উদ্দেশ্যই ছিলনা ।
তাঁর রাজসভার কবি ও ঐতিহাসিকদের রচনা থেকে জানা যায় , তিনি ছিলেন বুদ্ধিমান, ধর্মভীরু, শিল্প ও সাহিত্য অনুরাগী ।হিন্দুদের স্বাধীনভাবে ধর্মপালনের অধিকার দান করেছিলেন ।শাসক হিসেবেও প্রজাদের প্রতি ছিলেন দয়ালু ও সুবিবেচক । প্রজাদের আনন্দ ও দুঃখে সমানভাবে অংশ্রগ্রহণ করতেন।


কাশ্মীরে খারাপ হাল

কাশ্মীরে খারাপ হাল